Image

Image

0
শুভ সকাল বন্ধুরা। অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। চাকরীটা পাওয়ার পর বসার সুযোগ হচ্ছে কম। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার নিজের চাকরীর অভিজ্ঞতা।





বর্তমানে সারা বিশ্বে যে কয়টি জব পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে,  তার মধ্যে মারসেন্ডাইজিং অন্যতম। অনেকের মাঝে একটা ভুল ধারনা কাজ করে, তারা মারসেন্ডাজিং বলতে গার্মেন্টস মারসেন্ডাইজিং কে বুজে। কিন্তু মুলত মারসেন্ডাইজিং হচ্ছে যেকোন পণ্য ক্রয় বিক্রয় এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাপার। তবে বাংলাদেশ থেকে যেহেতু বহির্বিশ্বে গার্মেন্টস পণ্য ই বেশী এক্সপোর্ট হয়, সেহেতু বাংলাদেশে গার্মেন্টস মারসেন্ডাইজার দের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা ছাড়া মারসেন্ডাইজিং এ চাকরী পাওয়াটা একটু কষ্টকর। যারা টেক্সটাইল ইঙ্গিনিয়ারিং এ বিএসসি অথবা ডিপ্লোমা করেছেন তারা এই ক্ষেত্রে ভালোই সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশে গার্মেন্টস মারসেন্ডাইজিং মুলত দুই প্রকার।
১। বায়িং হাউজ মারসেন্ডাইজিং
২। ফ্যাক্টরি মারসেন্ডাইজিং

কাজ শিখার জন্য ফ্যাক্টরি মারসেন্ডাইজিং এর বিকল্প নেই। ফ্যাক্টরি মারসেন্ডাইজিং  উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। সেই ক্ষেত্রে হাতে কলমে শিখার জন্য ফ্যাক্টরি মারসেন্ডাইজিং ই ব্যাটার।

যোগ্যতাঃ ভালো সুবিধা পাবেন যদি টেক্সটাইল ইঙ্গিনিয়ারিং এ বিএসসি অথবা ডিপ্লোমা থাকে।
তবে অন্য যেকোন বিষয় থেকে স্নাতক অথবা স্নাতক উত্তর ডিগ্রি থাকলেই গার্মেন্টস মারসেন্ডাইজিং করা যায়। সেক্ষেত্রে গার্মেন্টস এর টেকনিক্যাল ইস্যু গুলো বুঝার জন্য কিছু সময় দিতে হবে। ট্রেইনি হিসেবে ছয়মাস কাজ করতে হবে মিনিমাম ছয় মাস।


বেতনঃ গার্মেন্টস মারসেন্ডাইজারদের সর্বনিম্ন বেতন ত্রিশ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে ১,৫্‌,০০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে প্রথম অবস্থায় কিছুদিন  কষ্ট করতে হবে। শুরুটা হয়তো ৮-১২ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হবে।

কর্মঘন্টাঃ মারসেন্ডাইজিং এ করমঘন্টা একটু বেশী। মাঝে মাঝে ১২-১৪ ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করতে হ্য়। তবে কিছু কিছু কোম্পানিতে স্ট্যান্ডার্ড অফিস টাইম আছে। ৯-৫ ডিউটি।


কাজঃ মারসেন্ডাইজিং এর পরিধি ব্যাপক। একটা অর্ডার আসার পর থেকে অর্ডার শিপমেন্ট  করা পর্যন্ত ফলোআপ করা মারসেন্ডাইজার এর কাজ। সব শেকশান এর সাথে সমন্বয় করে র' ম্যাটেরিয়াল থেকে ফিনিশ প্রোডাক্ট তৈরি করে কোয়ালিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে কোয়ালিটি নিশ্চিত করে প্রোডাক্ট শিপমেন্ট করা পর্যন্ত সব দায়িত্ব অনেক ক্ষেত্রে মারসেন্ডাইজার কেই নিতে হয়। মারসেন্ডাইজার এর কাজের পরিধি বর্ণনা করার জন্য এরকম আরেকটা পোস্ট লাগবে।

অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। আসলে সময়ের অভাবে পোস্টটা গুছিয়ে করতে পারিনি। দেখা হবে পরের কোন পোস্ট এ। 

Post a Comment

Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.